সৈয়দ আবুল হোসেনকে প্রধানমন্ত্রী ‘দেশপ্রেমিক’ বললেও এতে করে তার ভাবমূর্তি আর উজ্জ্বল করা সম্ভব হবে না বলেই মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শুক্রবার দুপুরে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মোশাররফ বলেন, “সৈয়দ আবুল হোসেন দেশপ্রেমিক নন, বেহায়া। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার দশ মাস পর তিনি পদত্যাগ করেছেন। আর সেই দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী সাফাই গাইছেন। তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।” তিনি বলেন, “আবুল দেশপ্রেমিক হলে দেশপ্রেমের সংজ্ঞা নতুনভাবে নির্ধারণ করতে হবে।” পদ্মা সেতুতে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে ১০ মাসের টানাপোড়েনের পর গত সোমবার মন্ত্রিত্ব ছাড়েন সৈয়দ আবুল হোসেন। বুধবার লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “তার (সৈয়দ আবুল হোসেন) গাটস্ আছে বলেই রিজাইন দিতে পেরেছে। দেশপ্রেম আছে বলেই রিজাইন দিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনা করে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘শিক্ষাঙ্গনে সংকট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর একগুয়েমির কারণেই পদ্মাসেতুর ঋণচুক্তি বাতিল হয়েছে। সৈয়দ আবুল হোসনকে আরও আগে মন্ত্রিত্ব থেকে বাদ দেওয়া হলে চুক্তি বাতিল হতো না।”